পতনের মুখে গাদ্দাফি

গাদ্দাফির চার দশকের  শাসনের অবসান ঘটতে যাচ্ছে। লিবিয়ায় গাদ্দাফি বিরোধী বাহিনী চূড়ান্ত বিজয়ের খুব কাছে পৌঁছে গেছে।  ১৫ ফেব্রুয়ারি লিবিয়ায় শুরু হয় দেশটির চার দশকের শাসক কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফির সরকার পতনের আন্দোলন। বিক্ষোভ দমাতে গাদ্দাফির অনুগত বাহিনীর সহিংসতায় ব্যাপক প্রাণহানির মুখে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর একাংশ গাদ্দাফির পক্ষ ত্যাগ করে বিদ্রোহ করে। শুরু হয় গৃহযুদ্ধ। গাদ্দাফির অনুগত বাহিনীর আক্রমণের মুখে বিদ্রোহী ও বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির প্রেক্ষিতে ১৭ মার্চ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে লিবিয়ায় 'উড্ডয়ন নিষিদ্ধ' এলাকা প্রতিষ্ঠা এবং বেসামরিক নাগরিক রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের একটি বিল পাস হয়। নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ১৯ মার্চ লিবিয়ায় প্রথম বিমান হামলা চালায় ফরাসি বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, ইতালি, কানাডাসহ অনেকগুলো পশ্চিমা দেশ তাদের সঙ্গে যোগ দেয়। লিবিয়ার সামরিক স্থাপনায় চলতে থাকে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। এক পর্যায়ে হামলার দায়িত্ব নেয় ন্যাটো বাহিনী। এক দিকে ন্যাটোর বিমান হামলা অন্যদিকে স্থলপথে বিদ্রোহীদের আক্রমণ- এ দুইয়ের আঘাতে ধীরে ধীরে দুর্বল হতে থাকে গাদ্দাফির অনুগত বাহিনীর সামরিক ক্ষমতা। অবশেষে রোববার রাতে তাদের হঠিয়ে ত্রিপোলির রাস্তায় দখল নেয় বিদ্রোহী বাহিনী। বিদ্রোহীরা যে কোন মুহুর্তে গাদ্দাফির পতন ঘটিয়ে লিবিয়ার দখল নেবে বলে ধারনা করছে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ। (সূত্র: অনলাইন)
News Pabna

নবীনতর পূর্বতন