বিশ্বজুড়ে আতঙ্কের নাম উইকিলিকস। আর উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ নিজেই আরেক আতংক। অ্যাসাঞ্জ বর্তমানে গৃহবন্দি অবস্থায় থাকলেও। চালিযে যাচ্ছেন বিশ্বব্যাপী তার কার্যক্রম। সারাবিশ্বের শাসক শ্রেণী ইউকিলিকসের ভয়ে কাপছে। কারন এ ওয়েবসাইটটি স্পর্শকাতর গোপন নথি প্রকাশের মাধ্যমে অভাবনীয় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন দেশের কঠোর নিরাপত্তা ও হুমকি ধমকিকে উপেক্ষা করে গোপন তথ্য ফাঁস করে চলেছে একর পর এক। বিশ্ব রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রভাবশালী রাষ্ট্র কিংবা ব্যক্তির অতিগোপনীয় নথি প্রকাশ করে ঘুম হারাম করে দিয়েছে উইকিলিকস। যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন এবং ভারত থেকে শুরু করে বাদ নেই বাংলাদেশেও। মিথ্যাকে বানচাল করে দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে পথ চলা শুরু করে উইকিলিকস। ২০০৬ সালের অক্টোবরে আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়েব জগতে আত্মপ্রকাশ করে ওয়েবসাইটটি। ২০০৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ১২ লাখ গোপন দলিল ফাঁস করে আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে উইকিলিকস। এরপর ধারাবাহিকভাবে ইরাকে মার্কিন বাহিনীর হাতে বন্দিদের নির্যাতনরে চিত্র, আফগানিস্তান যুদ্ধে ব্যবহৃত মার্কিন রণকৌশলের ৭৭ হাজার গোপন দলিল ফাঁস করে উইকিলিকস। মজার বিষয় হলো উইকিলিকসের রয়েছে বিশাল স্বেচ্ছাসেবক দল। এক কথায় বলা চলে স্বেচ্ছাসেবক হ্যাকারদের কান্ডকারখানা উইকিলিকস। উইকিলিকসে ফাঁস করা বেশিরভাগ তথ্যই সংশিল্গষ্ট দেশের সরকারি নেটওয়ার্ক হ্যাক করে সংগ্রহ করা। এরা হ্যাকার হলেও সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশে উইকিলিকসের রয়েছে নিজস্ব নীতিমালা। সংবাদ সংগ্রহের জন্য নিজস্ব সোর্সের ওপরই বেশি নির্ভরশীল উইকিলিকস। যে কোনো সংবাদ পাঠানো হলেই উইকিলিকসে প্রকাশিত হবে এমনটি নয়। উইকিলিকস এ পর্যন্ত ১৮২টি বাংলাদেশবিষয়ক প্রকাশ করেছে। আর এসব নথিতে প্রকাশ করা হয়েছে বাংলাদেশের রাজনীতির অন্দরমহলের নানা গোপন তথ্য। (সূত্র: ইন্টারনেট)
