যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো রাজ্যের ফার্মিংটোনের কোকোপেলি গুহাতে রয়েছে
এক কক্ষের এক হোটেল। আর অদ্ভূত এ হোটেলটিতে রাত কাটাতে চাইলে আপনাকে দীর্ঘ
৭০ ফুট মই বেয়ে পৌঁছুতে হবে গুহাতে।
তবে একবার পৌঁছে গেলে আর কোন চিন্তা নেই। শান্ত নিরিমিলি আর আরমদায়ক পরিবেশে বসবাসের জন্য রয়েছে পুরো নিশ্চয়তা।
১৯৮০ সালে দুই মার্কিন ভূতত্ত্ববিদ ব্রুস ব্লাক সিনিয়র আর তার ছেলে ব্রুস ব্লাক জুনিয়র মিলে গড়ে তোলেন অদ্ভূত এ হোটেলটি।
লা প্লাতা নদীর তীর থেকে ২৮০ ফুট ওপরে গড়ে উঠেছে ১৬শ ৫০ বর্গফুট আয়তনের হোটেলটি।
তবে একবার পৌঁছে গেলে আর কোন চিন্তা নেই। শান্ত নিরিমিলি আর আরমদায়ক পরিবেশে বসবাসের জন্য রয়েছে পুরো নিশ্চয়তা।
১৯৮০ সালে দুই মার্কিন ভূতত্ত্ববিদ ব্রুস ব্লাক সিনিয়র আর তার ছেলে ব্রুস ব্লাক জুনিয়র মিলে গড়ে তোলেন অদ্ভূত এ হোটেলটি।
লা প্লাতা নদীর তীর থেকে ২৮০ ফুট ওপরে গড়ে উঠেছে ১৬শ ৫০ বর্গফুট আয়তনের হোটেলটি।
বাইরের দিকটা দেখতে যেমনই হউকনা কেন, হোটেলের ভিতরটা কার্পেট আর অত্যাধুনিক আসবাব দিয়ে সুন্দর করে সাজানো গুছানো। বেডরুমের সঙ্গেই রয়েছে একটি ছিমছাম রান্নাঘর। রান্নাঘরে মাইক্রোওভেন আর ফ্রিজসহ রয়েছে নানা উপকরণ। তাজা ফল আর লোভনীয় সব খাবার দিয়ে ভর্তি ফ্রিজের ড্রয়ারগুলো।
বাথরুমে রয়েছে ঝর্ণার আদলে শাওয়ার নেওয়ার ব্যবস্থা। বিনোদনের জন্যও রয়েছে টিভি, ডিভিডি আর ভিসিআরসহ নানা আয়োজন।
ব্রুস ব্লাক সিনিয়র প্রথম দিকে এটিকে তার নিজের অফিস হিসেবে ব্যবহার করেন। তখন তিনি পাহাড়ের চূড়ায় গর্ত করে বাতাস সরবরাহের জন্য ভ্যান্টিলেটার তৈরি করেন। এছাড়া বিদ্যুৎ সরবরাহ আর চিমনিরও ব্যবস্থা করা হয় গর্ত কেটে। ১৯৯৬ সালে ব্রুস ব্লাক সিনিয়র ও তার স্ত্রী মার্জেই এখানে বসবাস শুরু করেন।
কিন্তু মাত্র এক বছর পরেই তারা এটিকে হোটেল হিসেবে ভাড়া দিতে শুরু করেন। আরে এতে তারা সাড়াও পান প্রচুর।
