পৃষ্ঠাসমূহ

৩০ মে, ২০১৩

মঙ্গলে টিকটিকি!

নাসার বিজ্ঞানীরা যখন মঙ্গল গ্রহের ঊষর মাটিতে হন্যে হয়ে জলের সন্ধানে রাত দিন খেটে মরছেন, তখন ওই মরা প্রান্তরে প্রাণের সম্ভাবনা প্রায় উড়িয়েই দিয়েছেন আরেক দল বিজ্ঞানী। অতি সম্প্রতি কিউরিওসিটি নামে একটি মহাকাশ রোবটযানও লোহিত গ্রহটির যে ছবি ও মাটির নমুনা পাঠিয়েছে তাতে প্রাণের কোনো সম্ভাবনাও দেখা যায়নি।
কিন্তু সম্প্রতি জাপানে বিজ্ঞান বিষয়ে লেখালেখি করেন এক ব্লগার দাবি করেছেন, মার্স কিউরিওসিটি রোভারের পাঠানো ছবিগুলো ভালোমতো দেখে তিনি মঙ্গলের মাটিতে একটি টিকটিকি বা কাঠবিড়ালি সদৃশ প্রাণীর অস্তিত্ব দেখতে পেয়েছেন।
রহস্যময় সেই ছবিটির একটি অংশে সত্যিই প্রাণী সদৃশ বস্তুতে গোল চিহ্ন দেয়া ছবি প্রকাশিত হয়েছে দেশটির ইউএফও সাইটিং দৈনিকে। এ দৈনিকটি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভিনগ্রহের প্রাণীদের সন্ধান বিষয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন ও অভিজ্ঞতা প্রকাশ করে।
এদিকে অবিশ্বাস্য এই ছবিটি প্রকাশ হওয়ার পর সাড়া পড়ে গেছে বিশ্বের বিভিন্ন কৌতুহলি মানুষের মধ্যে। ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বিশ্বাসীরা বলছেন, এটি আসলে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার একটি অতি কৌশলী ষড়যন্ত্র। ধারণা করা হচ্ছে, ছবিতে ধরা পড়া বস্তুটি ইঁদুর কিংবা টিকটিকি জাতীয় প্রাণী। ছবিটি গত মার্চে নাসা আনুষ্ঠানিকভাবে জনসমক্ষে প্রকাশ করে।
এই ছবিটি নিয়ে জাপানের দৈনিক পত্রিকাটিতে বলা হয়, গত মার্চেই তাদের এক তীক্ষ্ণ অনুসন্ধানী ব্লগারের চোখে ধরা পড়ে বিষয়টি। তারা বলছে, বৈজ্ঞানিক তথ্য মতে মঙ্গল গ্রহে এখনো খুব অল্প পরিমাণে জলের অস্তিত্ব রয়েছে। তাই খুঁজে দেখা প্রয়োজন, সেখানে মরুভূমিতে বাস করতে সক্ষম এমন প্রাণী রয়েছে কি না। যদিও তার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, আরেকটি বিষয় হতে পারে যে, রোভার যখন মঙ্গল গ্রহে যায় তখনই নাসা একটি ছোট সিওজেনিক চেম্বারে করে কোনো ধরনের পরীক্ষার জন্য প্রাণীটিকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছর ৬ আগস্ট নাসার পাঠানো রোবটযান কিউরিওসিটি মঙ্গল গ্রহের মাটিতে অবতরণ করে। রোবটযানটি লোহিত গ্রহটির পৃষ্ঠের বিভিন্ন ছবি ও মাটি পরীক্ষা করে গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য পাঠাচ্ছে।