এবারও সংসার জীবনে থিতু হতে পারলেন না জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আরফিন রুমি।
আবারও ভাঙলো তার সাজানো ঘর। যে ঘরের দায়ে হারালেন প্রথম স্ত্রী-সন্তানকে।
খেটেছেন জেল-জরিমানাও। অনেকাংশে জলাঞ্জলি দিতে হলো আকাশছুঁই সংগীত
জনপ্রিয়তাও।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত নিশ্চিত হওয়া গেলো দ্বিতীয় স্ত্রী কামরুননেসাকে ডিভোর্স দিয়েছেন আরফিন রুমি। ৩১শে জানুয়ারি সেই ডিভোর্স লেটার যুক্তরাষ্ট্রের ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে মঙ্গলবার রুমির আইনজীবি আবদুর রহিম কামরুননেসার বাবাকে ফোন করে ডিভোর্স লেটার পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ডিভোর্সের কারণ হিসেবে রুমি উল্লেখ করেন- মানসিক নির্যাতন, আগের স্বামীর সঙ্গে মেলামেশা, বেপরোয়া চলাফেরা ও কাউকে তোয়াক্কা না করা প্রভৃতি।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত নিশ্চিত হওয়া গেলো দ্বিতীয় স্ত্রী কামরুননেসাকে ডিভোর্স দিয়েছেন আরফিন রুমি। ৩১শে জানুয়ারি সেই ডিভোর্স লেটার যুক্তরাষ্ট্রের ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে মঙ্গলবার রুমির আইনজীবি আবদুর রহিম কামরুননেসার বাবাকে ফোন করে ডিভোর্স লেটার পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ডিভোর্সের কারণ হিসেবে রুমি উল্লেখ করেন- মানসিক নির্যাতন, আগের স্বামীর সঙ্গে মেলামেশা, বেপরোয়া চলাফেরা ও কাউকে তোয়াক্কা না করা প্রভৃতি।
খবরটি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেন আরফিন রুমি। অন্যদিকে কামরুননেসা পুত্র আয়ানসহ গত ছয় মাস ধরে অবস্থান করছেন আমেরিকায় তার বাবার সঙ্গে।
ডিভোর্সের কারণ সম্পর্কে রুমি জানান, বিয়ের পর থেকে গত আড়াই বছর ধরে কামরুননেসা তাকে ও তার মাকে মানষিক নির্জাতন করে আসছিল। তবুও সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য তিনি এতদিন সব সহ্য করেছেন। তাছাড়া কামরুননেসা তার প্রথম স্বামীকে তালাক দিয়ে আমাকে বিয়ে করেছিলো তখন। কিন্তু খবর পেলাম, এবার সে আমেরিকায় গিয়ে আগের স্বামীর সঙ্গে মেলামেশা করছে নিয়মিত। এ ঘটনাটি কামরুন্নেসার পরিবারকেও বারবার জানিয়েছেন রুমি। অথচ কোনও সুরাহা হয়নি। তাই তাকে ডিভোর্স দিতে বাধ্য হন তিনি।