স্প্যানিশ ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মারিও ভারগাস লোসা ২০১০ সালে সাহিত্যে নোবেল পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) সুইডিশ একাডেমি তার নাম ঘোষণা করেন।
ভারগাস লোসা ১৯৯৫ সালে তার রচিত 'কনভারসেশন ইন দ্য ক্যাথেড্রাল ও দ্য গ্রিন হাউস'এর জন্য মর্যাদাকর কারভেনতেস পুরস্কার পান। ৩০টিরও বেশি উপন্যাস, নাটক এবং প্রবন্ধ রচনা করেছেন তিনি। ১৯৬০ এ দ্য টাইম অব দ্য হিরো উপন্যাস দিয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক সাহিত্য অঙ্গনে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। স্প্যানিশ ভাষা সাহিত্যে তিনি একটি অনন্য স্থান দখল করে আছেন। উপন্যাসে তিনি পেরুর মিলিটারি একাডেমি লিওনসিও প্রাদোতে থাকাকালীন তার অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেন। বইটি প্রকাশের পর তার নিজ দেশে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। এমনকি একাডেমির কর্মকর্তারা বইটির এক হাজার কপি জনসমক্ষে পুড়িয়ে দিয়েছিলেন।
৭৪ বছর বয়সী এ সাহিত্যিক ব্যক্তির প্রতিরোধ ও বিদ্রোহ ক্ষমতা এবং পরাজয়ের মর্মভেদী অভিব্যক্তির যে অসাধারণ চিত্র অঙ্কন করেছেন এজন্য তিনিই এ সম্মাননার উপযুক্ত বলে নোবেল কমিটি জানান।
ভারগাস লোসা পেরুর অ্যারেকিপায় ১৯৩৬ সালের ২৮ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। জন্মের পর বাবা-মার ডিভোর্স হওয়ার পর বলিভিয়াতে তিনি নানা-নানীর সাথে বড় হন। ১৯৪৬ সালে নানা-নানীর পরিবার পেরুতে আসলে তিনি মিলিটারি একাডেমিতে ভর্তি হন। পরে সাহিত্য ও আইন পড়ার জন্য যথাক্রমে লিমা ও মাদ্রিদে যান। ১৯৫৯ সালে লোসা আবার প্যারিসে গিয়ে প্রথমে ভাষা শিক্ষক হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর সাংবাদিক হিসেবে সংবাদ সংস্থা এএফপি ও ফ্রান্সের জাতীয় টেলিভিশনে কাজ করেছেন। তিনি ল্যাটিন আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনাও করেন। ১৯৯০ সালে লোসা পেরুর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন। তাতে কি সাহিত্যের রাজ মুকুট ঠিকই তিনি মাথায় পরেছেন।
ভারগাস লোসা ১৯৯৫ সালে তার রচিত 'কনভারসেশন ইন দ্য ক্যাথেড্রাল ও দ্য গ্রিন হাউস'এর জন্য মর্যাদাকর কারভেনতেস পুরস্কার পান। ৩০টিরও বেশি উপন্যাস, নাটক এবং প্রবন্ধ রচনা করেছেন তিনি। ১৯৬০ এ দ্য টাইম অব দ্য হিরো উপন্যাস দিয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক সাহিত্য অঙ্গনে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। স্প্যানিশ ভাষা সাহিত্যে তিনি একটি অনন্য স্থান দখল করে আছেন। উপন্যাসে তিনি পেরুর মিলিটারি একাডেমি লিওনসিও প্রাদোতে থাকাকালীন তার অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেন। বইটি প্রকাশের পর তার নিজ দেশে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। এমনকি একাডেমির কর্মকর্তারা বইটির এক হাজার কপি জনসমক্ষে পুড়িয়ে দিয়েছিলেন।
৭৪ বছর বয়সী এ সাহিত্যিক ব্যক্তির প্রতিরোধ ও বিদ্রোহ ক্ষমতা এবং পরাজয়ের মর্মভেদী অভিব্যক্তির যে অসাধারণ চিত্র অঙ্কন করেছেন এজন্য তিনিই এ সম্মাননার উপযুক্ত বলে নোবেল কমিটি জানান।
ভারগাস লোসা পেরুর অ্যারেকিপায় ১৯৩৬ সালের ২৮ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। জন্মের পর বাবা-মার ডিভোর্স হওয়ার পর বলিভিয়াতে তিনি নানা-নানীর সাথে বড় হন। ১৯৪৬ সালে নানা-নানীর পরিবার পেরুতে আসলে তিনি মিলিটারি একাডেমিতে ভর্তি হন। পরে সাহিত্য ও আইন পড়ার জন্য যথাক্রমে লিমা ও মাদ্রিদে যান। ১৯৫৯ সালে লোসা আবার প্যারিসে গিয়ে প্রথমে ভাষা শিক্ষক হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর সাংবাদিক হিসেবে সংবাদ সংস্থা এএফপি ও ফ্রান্সের জাতীয় টেলিভিশনে কাজ করেছেন। তিনি ল্যাটিন আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনাও করেন। ১৯৯০ সালে লোসা পেরুর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন। তাতে কি সাহিত্যের রাজ মুকুট ঠিকই তিনি মাথায় পরেছেন।