৩ মার্চ, ২০১১

মাদক উৎপাদনে অন্যতম ভারত: জাতিসংঘ

স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে এমন রাসায়নিক এফিড্রিন ও সিউডোএফিড্রিনের অবৈধ উৎপাদনের অন্যতম উৎস ভারত। জাতিসংঘের মাদক নিয়ন্ত্রণ এজেন্সি বুধবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে। তারা ভিয়েনায় প্রধান কার্যালয়ে প্রকাশিত ২০১০ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে, মাদক পাচারকারীরা এফিড্রিন ও সিউডোএফিড্রিন উৎপাদনের জন্য যেসব অঞ্চল থেকে রাসায়নিক সংগ্রহ করে তার মধ্যে ভারত অন্যতম। ১৭ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনে ভারতকে প্রত্যক্ষভাবে অভিযুক্ত করে বলা হয়েছে, ভারত সাইকোট্রফিক (স্নায়ুতন্ত্রের ওপর ক্রিয়াশীল) পদার্থের অন্যতম প্রধান উৎস। প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৯ সালে ভারতের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ১.২ টন এফিড্রিন আটক করেছে। বাংলাদেশকেও টার্গেট করে রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারত থেকে সিউডোএফিড্রিন এনে বাংলাদেশে তা দিয়ে ট্যাবলেট তৈরি করা হয়। পরে তা মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ায় পাঠানো হয়। রিপোর্টে আরো দেখানো হয়েছে যে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে গাঁজার চাষ করা হয়। ২০০৯ সালে বাংলাদেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা প্রায় ২.১ টন গাঁজা উদ্ধার করেছে।
ইউরোপে আফগানিস্তানের আফিমযুক্ত মাদক পাচারের সংক্ষিপ্ত রুট হলো ইরান। আফগানিস্তানের ৩৭ শতাংশ হেরোইন এ দেশটি দিয়ে পাচার করা হয়। বাকি অংশ পাকিস্তান অথবা কাজাখস্তান, কিরঘিজিস্তান, তাজিকিস্তান ও আজারবাইজানের রুট দিয়ে পাচার করা হয় বলেও আইএনসিবি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে রিপোর্টে ভারতে ফেনসিডিল উৎপাদনের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। (সূত্র: অনলাইন)