গাদ্দাফির নারীর প্রতি দুর্বল
চিত্তটা প্রকাশ পেয়েছে সবার কাছে। কারন তিনি তার দেহ রক্ষায় নিয়োগ দিয়েছিলেন কুমারী
দেহরক্ষী। তাও আবার এক দুজন নয় একেবারে ত্রিশজন সশস্ত্র নারী দেহরক্ষী।
আবার নারী দেহরক্ষীরা ছিলেন কুমারী। আর তাদের নিয়োগ দেয়া হতো
আকর্ষণীয় সুঠাম দেহর দেখে। এক কথায় যাকে চোখে দেখামাত্র সহজে
চোখ ফিরিয়ে নেয়া যেতো না এমন মেয়েদেরই বেছে নেয়া হতো। কেন এই কুমারী দেহরক্ষী? কারন গাদ্দাফি কোনো পুরুষের ওপর বিশ্বাস বা আস্থা রাখতে পারতেন
না। আর তাই তিনি নারী দেহরক্ষী বেছে নিয়েছিলেন। তবে আকর্ষণীয় ও সুঠাম দেহের কুমারী দেহরক্ষী নিয়োগ নিয়ে
কেউ কোনোদিন তার কাছে কোনো প্রশ্ন করেননি বা তিনিও এ নিয়ে কোনো মন্তব্য
করেছেন বলে এমনটাও শোনা যায়নি। ১৯৯৮ সালে গাদ্দাফির উপর যখন হামলা হয়, তখন তাকে রক্ষা করতে এক কুমারী দেহরক্ষী অকাতরে জীবনটা বিলিয়ে দিয়েছিলেন। আর আহত হয়েছিলেন অপর দুই দেহরক্ষী। ১৯৭০ সাল থেকেই
গাদ্দাফি ভরসা রাখতেন ৩০ কুমারী সশস্ত্র দেহরক্ষীর ওপর। এদের নিয়োগের সময়
প্রত্যেক কুমারীকে দিতে হতো সতীত্বের পরীক্ষা। তাদের
পোশাক-পরিচ্ছদ কেমন হবে তাও বাছাই করে দিতেন গাদ্দাফি নিজেই। এসব কুমারী দেহরক্ষীদের প্রত্যেককে পরতে হতো সেনা পোশাক। চুল রাখতে হতো কফি রংয়ের। প্রত্যেককে হাতে নেলপলিশ করা ছিল বাধ্যতামূলক। গাদ্দাফি তার
সুন্দরী কুমারী দেহরক্ষী বাহিনীর পোশাকি নাম দিয়েছিলেন ‘আমাজনিয়ান গার্ড।’ (সূত্র: অনলাইন)
