গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অপসারণ করা হয়েছে। আজ বুধবার ড. ইউনূসের অপসারণের এ আদেশ জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। আদেশের একটি কপি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। ব্যাংক আইনের ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ড. ইউনূসকে অপসারণের এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। প্রসঙ্গত, ড. ইউনুসকে অপসারণের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আগেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কিন্তু গত সোমবার ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টি ড. ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সূত্রমতে, ওই সাক্ষাতকালে তিনি তাকে স্বেচ্ছায় গ্রামীণ ব্যাংক ছেড়ে দিতে বলেন। এরপরও ড. ইউনূস সময়ক্ষেপণ করায় বাংলাদেশ ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়। এ বিষয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করবেন বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে গত সোমবার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব এবং গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠিতে বলা হয়, গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদে ড. ইউনূসের থাকাটা বৈধ নয়। গ্রামীণ ব্যাংকের চাকরির বিধিমালা অনুসারে অবসর গ্রহণের বয়স ৬০ বছর। ড. ইউনূসের বয়স ৬০ বছর উত্তীর্ণ হলেও ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুসারে তিনি অনির্দিষ্ট মেয়াদে এমডি পদে বহাল আছেন। এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো অনুমোদন নেয়া হয়নি। এ কারণেই বাংলাদেশ ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। (সূত্র: শীর্ষনিউজ ডটকম)
এর আগে গত সোমবার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব এবং গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠিতে বলা হয়, গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদে ড. ইউনূসের থাকাটা বৈধ নয়। গ্রামীণ ব্যাংকের চাকরির বিধিমালা অনুসারে অবসর গ্রহণের বয়স ৬০ বছর। ড. ইউনূসের বয়স ৬০ বছর উত্তীর্ণ হলেও ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুসারে তিনি অনির্দিষ্ট মেয়াদে এমডি পদে বহাল আছেন। এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো অনুমোদন নেয়া হয়নি। এ কারণেই বাংলাদেশ ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। (সূত্র: শীর্ষনিউজ ডটকম)
