১২ মে, ২০১১

ফতোয়া বৈধ শাস্তি অবৈধ-সুপ্রিমকোর্ট

ফতোয়ার নামে কোনো ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন নিষিদ্ধ করেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ফতোয়াকে অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্ট বিভাগের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল আংশিক গ্রহণ করে এ রায় দিয়েছেন আদালত। প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ৬ সদস্যের বেঞ্চ এ রায় দেন। পরে অ্যাটর্নি জেনারেল রায় সম্পর্কে সাংবাদিকদের জানান,  আদালত বলেছেন, ধর্মীয় ব্যাপারে ফতোয়া দেওয়া যাবে তবে তা মানতে কাউকে জবরদস্তি করা যাবেনা। এবং অভিজ্ঞ ও বিজ্ঞরাই ফতোয়া দিতে পারবেন। ফতোয়ার নামে কারো মান সম্মান, আইন ও অধিকার ক্ষুন্ন করা ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা যাবে না। যে নির্দিষ্ট ঘটনাটিকে ঘিরে হাইকোর্ট ফতোয়া নিষিদ্ধের রায় দিয়েছে সেটি সঠিক ছিলো তবে সব ধরনের ফতোয়াকে অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া হাইকোর্টের রায় যথার্থ ছিলো না বলেও মত দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এর আগে গত ৪ মে সব পক্ষের শুনানি শেষে বিষয়টি রায়ের জন্য অপেক্ষমান (সিএভি) রাখেন আপিল বিভাগ। একটি ফতোয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২০০১ সালে ১ জানুয়ারি সব ধরনের ফতোয়াকে অবৈধ এবং আইন বহির্ভূত ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। ওই রায়ের বিরুদ্ধে একই বছর মুফতি মো. তৈয়ব ও মাওলানা আবুল কালাম আজাদ আপিল করেন। দীর্ঘদিন পর এ বছরের ১ মার্চ আপিলের শুনানি শুরু হয়। শুনানিতে টিএইচ খান, ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, রোকন উদ্দিন মাহমুদ, ড. এম জহির, এএফ হাছান আরিফ, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মাহমুদুল ইসলাম, এবিএম নুরুল ইসলাম ও এমআই ফারুকী অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে তাদের অভিমত দেন।  এছাড়া আদালতের নির্দেশে ফতোয়া বিষয়ে দেশের পাঁচজন আলেম তাদের অভিমত দেন।(সূত্র: বাংলানিউজ টুইন্টিফোর ডটকম)