২০ জানুয়ারি, ২০১১

হিন্দুর তৈরি মসজিদ

ধর্ম নিয়ে রক্তারক্তি। ধর্মীয় উগ্রবাদ, মৌলবাদ বিশ্বব্যাপী। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কারণে পৃথিবীর এমন কোনো স্থান নেই যেখানে রক্তপাত হয়নি। আবার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদ্যোগও নেহায়েত কম নয়। ভারতীয় উপমহাদেশের চিরবৈরী দুই সম্প্রদায়ের ঐক্যের জন্য নিজে হিন্দু ধর্মের হয়েও মুসলমান ধর্মালম্বীদের জন্য নির্মাণ করছেন মসজিদ। এই ব্যক্তির নাম চেরিল কৃষ্ণ মেনন, যিনি ২০০৬ সালে ‘প্রবাসী ভারতীয় সম্মান’ এবং ২০০৯ সালে ‘পদ্মশ্রী’ খেতাব পেয়েছিলেন। এমন দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছিল প্রায় বারোশো বছর আগে, অষ্টক শতাব্দীতে চেরা শাসক রাম বর্মা কুলাশাখরা কেরালাতে ‘চেরামন মসজিদ’ নামে প্রথম ও একমাত্র মসজিদ তৈরি করেছিলেন। মসজিদটি স্থাপিত হবে ভারতের কেরালার কালকুট নামক স্থানে। আগামী দু-তিন মাসের মধ্যেই এটি তৈরি হয়ে যাবে। এখানে একসাথে ৪০০ ব্যক্তি নামাজ আদায় করতে পারবেন। কৃষ্ণ মেনন বলেন, তিনি এই মসজিদ তৈরি করার জন্য বিভিন্ন বিখ্যাত ও ধর্মীয় ব্যক্তিদের  সমর্থন পেয়েছেন। তিনি আরো বলেন, ‘ইশ্বর এক এবং অদ্বিতীয়। তাই আমাদের সবার উচিত প্রতিটি ধর্মের প্রতি সমান শ্রদ্ধা রাখা এবং প্রতিটি ধর্ম বিস্তারে সহযোগিতা করা।’ কেরালাতে একটি গির্জা নির্মাণের পরিকল্পনাও আছে তার। এসব কাজের জন্য ১০০ কোটি রুপি ব্যয় করবেন বলে তিনি জানান। যুগে যুগে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা দূর করার জন্য ও মানুষে মানুষে বিভেদ ভেঙ্গে ফেলার জন্য নানা গুণীজন নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। চেরিল কৃষ্ণ মেননও এমন একজন ব্যাক্তি। (সূত্র: অনলাইন)