হাইকোর্ট বিভিন্ন কোম্পানির নিম্নমানের ৮টি ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে । সেই সাথে বাজারে থাকা ওইসব ওষুধ তুলে নেয়ার জন্যও সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে। নিষিদ্ধ ঘোষিত ওষুধসমূহ হচ্ছে: নর্থ বেঙ্গল ফার্মা লি: উৎপাদিত ক্যাপসুল টেট্রাসাইক্লিন, বেঙ্গল ফার্মা লি. উৎপাদিত ক্যাপসুল ইনডেক্স, বিটিমক্স ৫০০ এমজি ও ২৫০ এমজি, ইনোডা ফার্মা লি. উৎপাদিত ক্যাপসুল ডাইক্লোফেনাক, এ্যাকফো ফার্মা লি: উৎপাদিত সাসপেনশন টেমিফল এবং এ্যালকো ফার্মা লি. উৎপাদিত ক্যাপসুল সেফক্স।
আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ঢাকা শহর এবং চার সপ্তাহের মধ্যে সারা দেশের বাজার থেকে এসব ওষুধ প্রত্যাহারের নির্দেশনা দিয়ে আদেশ বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য স্বাস্থ্য ও স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক এবং র্যাবের মহাপরিচালককে নির্দেশ দিয়েছেন।
পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরশেদ রিট আবেদনটি দায়ের করেছিলেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩ নভেম্বর হাইকোর্ট বাজার থেকে ওষুধের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য সরকারকে নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী ৪৮ টি ওষুধের পরীক্ষা প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়। তাতে ৮টি ওষুধ নিম্নমান ও ভেজাল হিসেবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত সেগুলো উৎপাদন নিষিদ্ধ করে। (সূত্র: অনলাইন)
আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ঢাকা শহর এবং চার সপ্তাহের মধ্যে সারা দেশের বাজার থেকে এসব ওষুধ প্রত্যাহারের নির্দেশনা দিয়ে আদেশ বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য স্বাস্থ্য ও স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক এবং র্যাবের মহাপরিচালককে নির্দেশ দিয়েছেন।
পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরশেদ রিট আবেদনটি দায়ের করেছিলেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩ নভেম্বর হাইকোর্ট বাজার থেকে ওষুধের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য সরকারকে নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী ৪৮ টি ওষুধের পরীক্ষা প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়। তাতে ৮টি ওষুধ নিম্নমান ও ভেজাল হিসেবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত সেগুলো উৎপাদন নিষিদ্ধ করে। (সূত্র: অনলাইন)
