২৬ অক্টোবর, ২০১০

৮ মাসে ইভ টিজিংয়ে আত্মহত্যা ২০ তরুণীর

স্কুল কলেজে যাতায়াতে রাস্তায় বখাটেদের উৎপাতে নিজেদের একেবারেই নিরাপদ মনে করেন না ১০ শতাংশ নারী শিক্ষার্থী৷ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানম মনে করেন, সামাজিক সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের সঙ্গে মূল্যবোধের অবক্ষয়ই এর প্রধান কারণ৷ মহিলা পরিষদের তথ্য অনুসারে, ২০০৯ সালে ইভ টিজিংয়ের ঘটনা ঘটেছে ৭৮টি৷ এবছর আগস্ট পর্যন্ত এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫৩টিতে৷ গত বছরের তুলনায় এর গড় বেড়েছে ৩৯.৬ ভাগ হারে, যা খুবই আশংকাজনক।
ইভ টিজিংয়ের বিরুদ্ধে সংবাদপত্র বা সামাজিক সংগঠনগুলো বেশ সোচ্চার৷ তারপরও আইনগতভাবে নির্ধারিত হয়নি ইভ টিজিংয়ের সংজ্ঞা৷ বর্তমান পেনাল কোডে এর শাস্তি মাত্র এক বছর৷ বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট-এর আইন  বিশেষজ্ঞ ফরিদা ইয়াসমীন জানান, ইভ টিজিংয়ের শিকার কেউ আত্মহত্যা করলে অপরাধীর শাস্তি কি হবে তা স্পষ্ট নয় আইনে৷ তিনি এজন্য আইনের সংস্কার এবং আরো কঠোর করার কথা বলেন৷
ইভ টিজিংকে যৌন নিপীড়নের সংজ্ঞায় আনার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা৷