‘এসো হে বৈশাখ এসো, এসো, এসো /তাপস নিঃশ্বাস বায়ে... মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে/বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক-যাক...../মুছে যাক গ্নানি ঘুচে যাক জরা/অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা’ এই মন্ত্র পাঠের মাধ্যমে শুরু হয়েছে বাঙালীর জাপিত জীবনের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। আজ পহেলা বৈশাখ। শুভ নববর্ষ ১৪১৮। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্য ভিন্ন স্থানে বসেছে বৈশাখী মেলা। রাজধানীসহ সারা দেশেই উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বাঙালী সেজেছে তার চিরায়ত রুপে। সেই সাথে জাতীয় দৈনিক পত্রিকাগুলো প্রকাশ করেছে নববর্ষের বিশেষ সংখ্যা। রেডিও-টেলিভিশনে প্রচারিত হচ্ছে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। সারা দেশেই আছে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নানা আয়োজন।
১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আকবর বাংলা সনের প্রবর্তন করেন। তা কার্যকর হয় ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দের ৫ নভেম্বর থেকে। পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়। বৈশাখ নামটি নেওয়া হয়েছিল নক্ষত্র বিশাখার নাম থেকে। কালের বিবর্তনে নববর্ষের সঙ্গে সম্পর্কিত অনেক পুরনো আচার অনুষ্ঠানের বিলুপ্তি ঘটেছে, যুক্ত হয়েছে অনেক নতুন নতুন আয়োজন। (কিংবদন্তী ডেস্ক)
