নোয়েলা
রুকুন্ডোর শেষকৃত্যে হাজির হয়েছেন অনেকেই৷ রয়েছেন নোয়েলার স্বামী বালেঙ্গা
কালালাও৷ আর পুরো বিষয়টি খানিক দূরে একটি গাড়ির ভিতরে বসে দেখছেন স্বয়ং
নোয়েলা!
না, কোনও হিন্দি ভূতের ছবির প্রেক্ষাপট নয়৷ বাস্তবের মাটিতেই ঘটেছে এই ঘটনা৷ বিবিসি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নোয়েলা বছর পাঁচেক আগের এমনই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন৷ তিনি বলেন, গাড়ি থেকে নেমে তিনি যেই স্বামীর সামনে দাঁড়ান, তখনই ভয়ে চমকে ওঠে তাঁর স্বামী৷ বলে, "একি! আমি ঠিক দেখছি তো? এটা ভূত না মানুষ?" উত্তরে নোয়েলা বলেন, "অবাক হলে? আমি এখনও বেঁচে আছি!"
পাঁচ বছর আগে নিজের স্ত্রীকে হত্যা করার জন্য এক দল ভাড়াটে খুনিকে অর্থ দিয়েছিল বালেঙ্গা৷ তারা জানিয়েছিল, নোয়েলাকে তারা কথা মতো মেরে ফেলেছে৷ এমনকী এই অপরাধের জন্য চুক্তির চেয়েও বেশি অর্থ নিয়েছিল তারা৷ নোয়েলা বলেন, যে মুহূর্তে তাঁর স্বামী বুঝতে পারে নোয়েলা জীবীত, সে রীতিমতো লাফিয়ে পড়ে স্ত্রীয়ের পা চেপে ধরে৷ অপকর্মের জন্য ক্ষমা চাইতে থাকে৷ কিন্তু এমন নৃশংস ঘটনার জন্য স্বামীকে ক্ষমা করা নোয়েলার পক্ষে সম্ভব ছিল না৷ তিনি পুলিশকে খবর দেন৷ এক সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, হত্যার চেষ্টার অপরাধে বালেঙ্গার ন'বছর জেল হয়েছে৷
মেলবোর্নের এই দম্পতি বুরুন্দিতে একটি শ্রাদ্ধের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন৷ সেখানে এক সন্ধেতে হোটেলের ঘরে একাই ছিলেন নোয়েলা৷ তখনই বালেঙ্গার ফোন আসে৷ স্ত্রীকে বালেঙ্গা বলে, বাইরে থেকে ঘুরে আসতে৷ হোটেলের বাইরে পা রাখতেই নোয়েলার কপালে বন্দুক ঠেকায় এক ব্যক্তি৷ সেখান থেকে একটি ফাঁকা বাড়িতে নিজে যাওয়া হয়েছিল তাঁকে৷ সৌভাগ্য বশত সেই দুষ্কৃতীরা মহিলাদের মারত না৷ তারাই নোয়েলাকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে৷ সেই ঘটনার কথা মনে পড়লে আজও নোয়েলার চোখে মুখে স্বামীর প্রতি রাগ ফুটে ওঠে৷
না, কোনও হিন্দি ভূতের ছবির প্রেক্ষাপট নয়৷ বাস্তবের মাটিতেই ঘটেছে এই ঘটনা৷ বিবিসি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নোয়েলা বছর পাঁচেক আগের এমনই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন৷ তিনি বলেন, গাড়ি থেকে নেমে তিনি যেই স্বামীর সামনে দাঁড়ান, তখনই ভয়ে চমকে ওঠে তাঁর স্বামী৷ বলে, "একি! আমি ঠিক দেখছি তো? এটা ভূত না মানুষ?" উত্তরে নোয়েলা বলেন, "অবাক হলে? আমি এখনও বেঁচে আছি!"
পাঁচ বছর আগে নিজের স্ত্রীকে হত্যা করার জন্য এক দল ভাড়াটে খুনিকে অর্থ দিয়েছিল বালেঙ্গা৷ তারা জানিয়েছিল, নোয়েলাকে তারা কথা মতো মেরে ফেলেছে৷ এমনকী এই অপরাধের জন্য চুক্তির চেয়েও বেশি অর্থ নিয়েছিল তারা৷ নোয়েলা বলেন, যে মুহূর্তে তাঁর স্বামী বুঝতে পারে নোয়েলা জীবীত, সে রীতিমতো লাফিয়ে পড়ে স্ত্রীয়ের পা চেপে ধরে৷ অপকর্মের জন্য ক্ষমা চাইতে থাকে৷ কিন্তু এমন নৃশংস ঘটনার জন্য স্বামীকে ক্ষমা করা নোয়েলার পক্ষে সম্ভব ছিল না৷ তিনি পুলিশকে খবর দেন৷ এক সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, হত্যার চেষ্টার অপরাধে বালেঙ্গার ন'বছর জেল হয়েছে৷
মেলবোর্নের এই দম্পতি বুরুন্দিতে একটি শ্রাদ্ধের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন৷ সেখানে এক সন্ধেতে হোটেলের ঘরে একাই ছিলেন নোয়েলা৷ তখনই বালেঙ্গার ফোন আসে৷ স্ত্রীকে বালেঙ্গা বলে, বাইরে থেকে ঘুরে আসতে৷ হোটেলের বাইরে পা রাখতেই নোয়েলার কপালে বন্দুক ঠেকায় এক ব্যক্তি৷ সেখান থেকে একটি ফাঁকা বাড়িতে নিজে যাওয়া হয়েছিল তাঁকে৷ সৌভাগ্য বশত সেই দুষ্কৃতীরা মহিলাদের মারত না৷ তারাই নোয়েলাকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে৷ সেই ঘটনার কথা মনে পড়লে আজও নোয়েলার চোখে মুখে স্বামীর প্রতি রাগ ফুটে ওঠে৷
