শান্তিতে নোবেলজয়ী অং সান সু-চি গত ২১ বছরের মধ্যে ১৫ বছরই গৃহবন্দি রয়েছেন। তিনি কখনো শর্ত সাপেক্ষে কোন মুক্তি মেনে নেননি। ১৩ নভেম্বর তার গৃহবন্দিত্বের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। অথচ ১১নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) মিয়ানমারের সর্বোচ্চ আদালতে আপিল খারিজ হওয়ার মধ্যদিয়ে অনিশ্চিত হয়ে গেল গণতন্ত্রপন্থী অং সান সু-চির মুক্তি। তার আইনজীবী নায়ান উইন বলেন, কারণ বিশ্লেষণ করা ছাড়াই সূচীর এ আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত। এর আগে সু-চির একই বিষয়ের আরো ২টি আবেদন খারিজ হয়েছে। আজ খারিজ হয় চূড়ান্ত আবেদনটি। ফলে সূ চি’র মুক্তির বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে গেল।
এ সময় তিনি আরো বলেন, সু-চির মুক্তি হতে হবে নিঃশর্ত। তবে জান্তা সরকার এখনো তাকে মুক্তি দেয়ার ঘোষণা দেয়নি। সরকারি কর্মকর্তাদের সূত্রে জানাগেছে, সরকার দেশে নিরাপত্তা জোরদার করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
উল্লেখ্য, গত বছরই তার আটকাদেশের মেয়াদ শেষ হয়। কিন্তু এক মার্কিন তার বাড়ির লেক সাঁতরে তার সথে দেখা করতে গেলে নিরাপত্তা ভঙ্গের অভিযোগে গত বছর আগস্টে তাকে নতুন করে ১৮ মাস গৃহবন্দি করে রাখার আদেশ দিয়েছিল দেশটির আদালত। (সূত্র: ইন্টারনেট)
