১৮ এপ্রিল, ২০১১

পারমানবিক চুল্লীকে স্থিতিশীল করতে ৬ থেকে ৯ মাস লাগবে-টেপকো

টোকিও ইলেক্ট্রিক পাওয়ার কোম্পানি (টেপকো) রোববার জানিয়েছে ফুকুশিমা দাইইচি আণবিক বিদ্যুত কেন্দ্রকে স্থিতিশীল অবস্থায় আনতে ৬ থেকে ৯ মাস সময়ের প্রয়োজন হবে আর কুলিং সিস্টেমকে পুরোপুরি সচল করে তুলতে প্রায় ৩ মাস সময় লাগবে। রোববার টেপকো ফুকুশিমা দাইইচি আণবিক বিদ্যুত কেন্দ্রের চুল্লীগুলোকে ঠান্ডা করার চুড়ান্ত পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করে। তারা সেখানে নতুন কুলিং সিস্টেম স্থাপন করবেন যেটি তেজস্ক্রিয় পানিকে ছেকে বা ফিল্টার করে পুনরায় চুল্লীর ভেতর প্রবেশ করাবে। কোম্পানির চেয়ারম্যান ত্সুনেহিসা কাত্সুমাতা কর্ম পরিকল্পনা ঘোষণা করে বর্তমান সংকটের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। টেপকো চেয়ারম্যান তাদের পরিকল্পনার বিবরণ দিয়ে বলেন, সুনামির আঘাতে ১,২ ও ৩ নং চুল্লীর কুলিং সিস্টেম নষ্ট হয়ে যায়। কর্মীরা এখন চুল্লীগুলো শীতল রাখতে ঠান্ডা পানি ঢেলে যাচ্ছেন। তিনি জানান, ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ ১,৩ ও ৪নং চুল্লীর উপর বিশেষ ধরণের আচ্ছাদন দেয়া হবে। টেপকো জানায় দুই ভাগে বিভক্ত তাদের কর্ম পরিকল্পনার প্রথম ধাপে আগামী তিন মাসের মধ্যে ১ ও ৩নং চুল্লীতে নতুন কুলিং সিস্টেম বসানো হবে যাতে তেজস্ক্রিয়তার পরিমান ধীরে ধীরে হ্রাস পায়। দ্বিতীয় ধাপে টেপকো ফুয়েল রডের তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের নীচে নামিয়ে আনবে যাতে করে সেগুলোকে স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়। টেপকো বলছে শীতলীকরন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তেজস্ক্রিয়তা উল্লেখযোগ্য পরিমানে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে। এ দু'টি ধাপ সম্পন্ন করতে ছয় থেকে নয়মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। বর্তমানে চুল্লীগুলোতে উচ্চ তেজস্ক্রিয় কণিকা অনেক বেশি থাকায় পানি ভেতরে গিয়ে খুব দ্রুতই তেজস্ক্রিয় হয়ে উঠছে এবং অবকাঠামোর কোন অংশে ত্রুটির কারণে তেজস্ক্রিয় পানি ভূ-গর্ভস্থ কক্ষগুলিতে ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে কর্মীদের পক্ষে সেখানে কাজ করা বেশ দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছে। (সূত্র: কমিউনিটি)