‘চে’ চেতনার নাম, সংগ্রামের নাম, বিপ্লবের নাম, পরিবর্তনের নাম। ১৯৬৭ সালের ৮ অক্টোবর গভির রাতে বলিভিয়ার
ইউরো উপত্যকায় চে’-র ওপর মারিও তেরান য়ান নামের এক মদ্যপায়ী
সার্জেন্ট একে একে ১০টি গুলি চালিয়ে এই বিপ্লবীকে হত্যা করে। এই হত্যার মধ্য দিয়ে চে' কে নিশ্বেস করা সম্ভব হয়নি। আজন্ম বিপ্লবী চে
গুয়েভারার আজ মৃত্যু দিবস। চে’র মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পরলে হাজার হাজার বিপ্লবীরা হাজির হন চে'র লাল পোস্টার নিয়ে।
পৃথিবীর প্রায় সব শহরে, রাস্তায় রাস্তায় লাল পোষ্টারে ছেয়ে যায়। চে' ভক্তরা আজো বিশ্বাস করেন বিপ্লবী চে’কে হত্যা করা সম্ভব নয়। তারা আজও বিশ্বাস করে মারা যায়নি ‘চে’র মতবাদ। এখনও বলিভিয়া, কিউবা, আর্জেন্টিনা, ভেনেজুয়েলা, কানাডা,
ফিলিস্তিন থেকে শুরু করে নেপাল, এমনকি বাংলাদেশ পর্যন্ত কোটি কোটি মানুষের
স্বপ্ন হয়ে আছে অমর চে গুয়েভারা। চার দশক আগে নিহত হওয়া এই
বিপ্লবী সবার অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন। চে'র নিজ দেশ আর্জেন্টিনায় এখনও কোন বিক্ষোভ হলে চে গুয়েভারার ছবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড
হাতে নিয়ে বিক্ষোভ করা হয়। আর্জেন্টিনাইনদের বিশ্বাস চে' এখ্নও সব জায়গায় আছেন। চে' মৃত্যুর পূর্বে
স্মিত হেসে বলেছিলেন ‘আমি নশ্বর, কিন্তু বিপ্লবের অবিনশ্বরতা আমি দেখছি।’
