৫ অক্টোবর, ২০১১

নভোচারী হওয়ার সুযোগ

আপনিও হতে পারেন নাসার নভোযানের যাত্রী। সাধারন মানুষের মধ্য থেকে নভোচারী হওয়ার এ সুযোগ করে দিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষনা সংস্থা নাসা। আগামী নভেম্বর মাস থেকে নাসা নভোচারী হওয়ার জন্য সাহসী ব্যক্তিদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত গ্রহন করবে নাসা, এক ঘোষনায় এ তথ্য জানিয়েছে মহাকাশ গবেষনা সংস্থাটি। (সূত্রঃ NASA Official Website) সুনির্দিষ্টভাবে গণিত, বিজ্ঞান ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের উপর অন্তত তিন বছরের কাজের অভিজ্ঞতাসহ সাহসী লোক খুঁজছে নাসা, যারা দুর মহাকাশ ভ্রমনে যেতে চায়। প্রার্থীদের মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই করে যাদেরকে নভোচারী বানানোর জন্য পছন্দ করা হবে, তাদের ২০১৩ সালের আগস্টে প্রশিক্ষণ দেয়া শুরু করবে নাসা। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে দীর্ঘ সময়কাল অবস্থান করার প্রশিক্ষণসহ দুর মহাকাশে ভ্রমনের জন্য তাদেরকে উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে। মার্কিন জাতীয় গবেষণা সংস্থার সাম্প্রতিক একটি রিপোর্টে জানা গেছে, ১৯৯৯ সালে মার্কিন মহাকাশ গবেষনা সংস্থা নাসায় ১৫০ জন সক্রিয় নভোচারী ছিল। অবসর ও কাজের জন্য অন্য জায়গায় চলে যাওয়ায় বর্তমানে নভোচারীদের এই সংখ্যা ৬১ জনে এসে দাড়িয়েছে। ১০০ বিলিয়ন ডলার ব্যায়ে নির্মিত আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন সম্পূর্ণরুপে কার্যক্ষম করে তুলতে অনেক মহাকাশচারী দরকার। এছাড়া নাসা বর্তমানে মঙ্গলগ্রহে ও অন্যান্য গ্রহাণুতে মহাকাশচারী প্রেরণের কর্মসূচী হাতে নিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ২০২৫ সালের মধ্যে একটি গ্রহাণুতে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে মঙ্গলগ্রহে মানুষবাহী নভোযান পাঠানোর প্রস্তুতি নিতে নাসা’কে নির্দেশনা দিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত মাসে (সেপ্টেম্বর) নাসা তার নতুন মহাশুন্য প্রেরন ব্যাবস্থার ঘোষনা দেয়, যা তাদের মঙ্গলগ্রহে মানুষবাহী নভোযান পাঠতে সহায়ক হবে। জনসন স্পেস সেন্টারের ফ্লাইট কার্যক্রমের পরিচালক জ্যানেট কাভান্দি জানান, ‘২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ছয়মাস অবস্থান করাই নভোচারীদের একমাত্র সম্ভাবনা নয়, তাদের আরো অনেক দুরে যেতে হবে। সুতরাং বিজ্ঞানী, ইঞ্জিনিয়ার এবং অন্যান্য পেশাদার যারা সবসময় মহাকাশে ভ্রমনের স্বপ্ন দেখে এসেছেন, নভোচারী হিসেবে যোগদানের জন্য এটা তাদের কাছে একটি সুবর্ণ সুযোগ।’ নতুন নভোচারীরা নাসা’র অব্যাহত মহাকাশ কর্মসূচীগুলোতেও অংশগ্রহনের সুযোগ পাবেন বলে জানান তিনি। (সূত্র: অনলাইন)